রবিবার । ২১শে জুন, ২০২৬ । ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩

যশোরে বাওড় গার্ডের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর

যশোরের চৌগাছায় বেড় গোবিন্দপুর বাওড়ের মুলিখালি বটতলার খাল থেকে আতিয়ার রহমান (৪৪) নামে বাওড় গার্ডের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু’জনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) বিকেলে উপজেলার সিংহঝুলী ইউনিয়নের বেড় গোবিন্দপুর সরকারি বাওড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আতিয়ার রহমান উপজেলা সদর ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামের সাবেদ আলী মন্ডলের ছেলে। আতিয়ার রহমান বেড় গোবিন্দপুর সরকারি বাওড়ের গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কর্মী বলে দাবি করেছেন চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকাল থেকে আতিয়ার রহমান নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর রবিবার তার ভাতিজা হাসানুর রহমান বেড় গোবিন্দপুর বাওড়ের মুলিখালি বটতলা খালের কচুরিপানার নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পায়। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে ও চৌগাছা থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আতিয়ার রহমানের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এলাকাবাসী জানায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে আতিয়ার রহমানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে ও পেটে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া তার পিঠের ডান পাশে বগলের নিচেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যার পর মরদেহ কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম বলেন, নিহত আতিয়ার রহমান সদর ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী ও তার বাবা সবেদ আলী চৌগাছা সদর ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য। তাকে কি কারণে হত্যা করা হয়েছে সেটা আমার ধারণা নেই।

চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশিদ বলেন, হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের হাফিজুরের ছেলে ওসমান (৩০) ও সোজা রহমান নামে দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। চৌগাছা থানা পুলিশ হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

খুলনা গেজেট/এএজে




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন